:

ভোটের গান

top-news
https://songeetbd.com/public/frontend/img/post-add/add.jpg

গানের দেশ, সুরের দেশ বাংলাদেশ। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের ভোটের গান বাজতে শোনা যাচ্ছে। জনপ্রিয় কোনো গানের সুর নকল করে কথা বদলে তৈরি হচ্ছে নির্বাচনি গান; ভোটের মাঠে গানে গানে প্রচারের এই রীতি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে গত কয়েক বছরে।

এই গানগুলোর মধ্যে কিছু গান নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে। আবার কিছু গান অন্য জনপ্রিয় গানের সুরে কথা লিখে গাওয়া হয়েছে। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ভোটের গান করছে ঢাকার কল্যাণপুরের কমল মিডিয়া। মাত্র ২০ মিনিটে গান তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'জয় বাংলা, জিতবে আবার নৌকা' ভোটের মাঠে সবচেয়ে আলোচিত গান। এই গানটি ভোটের সময় সব জায়গায় বাজতে শোনা যাচ্ছে। 'জয় বাংলা, জিতবে আবার নৌকা' গানটি 'টিম জয় বাংলা'র শিল্পীদের বানানো। এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গানটির নতুন সংস্করণ বের হয়েছে। গানটির গীতিকার তৌহিদ হোসেন, শিল্পী ও সুরকার সরোয়ার ও জিএম আশরাফ, সংগীত পরিচালক ডিজে তনু ও এলএমজি বিটস।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই ভোটের প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। শহরের অলিগলি থেকে গ্রাম-মহল্লায় দিনভর বাজছে ভোটের গান। নির্বাচনী ক্যাম্প ছাপিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও নির্বাচনী গান ছড়িয়ে পড়েছে।

যুগ যুগ ধরেই ভোটারদের মন গলাতে প্রচারে বাহারি কথার প্যারোডি গানের চল দেখা গেছে। এবার মগবাজার, বিজয়নগরের বাইরে; এমনকি মফস্‌সলেও ভোটের গান রেকর্ডের ধুম পড়েছে। ভোটের গানে পরিচিত শিল্পীদের পাওয়া যায় না, মূলত মৌসুমি শিল্পীরাই জনপ্রিয় গানের সুর নকল করে এসব গানে কণ্ঠ দেন।

এবার ভোটের গানের বাজারে মমতাজ, সুবীর নন্দী, আইয়ুব বাচ্চু, বেবী নাজনীনের মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের গাওয়া গানের চাহিদা তুঙ্গে। ঘুরেফিরে ‘খাইরুন লো’, ‘আম্মাজান’, ‘মরার কোকিলে’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের সুরই ব্যবহৃত হচ্ছে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী কম থাকায় ভোটের গানের বাজার মন্দা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী বেশি থাকায় সেই সময়ই বেশি গানের ফরমাশ পান শিল্পীরা।
মৌলিক গানের সুর বিকৃতি করা বিষয়ে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস বলছে, কোনো গানের সুর নকল করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সুর বিকৃতি ও কথা পরিবর্তন করে মনমতো গান প্রচার করলে তা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন। এর জন্য সর্বোচ্চ ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

https://songeetbd.com/public/frontend/img/post-add/add.jpg

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *