কণ্ঠশিল্পী খালিদকে শেষ দেখাও দেখতে পারলেন না স্ত্রী-সন্তান
- S Mon
- 19 Mar, 2024
৫৬ বছর বয়সেই অনন্তের পথে পাড়ি দিলেন প্রেম-বিচ্ছেদ বা বিষণ্নতার গানে আশি ও নব্বইয়ের দশকে সংগীতাঙ্গনে মুখর কণ্ঠশিল্পী খালিদ। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও ছেলে জুয়াইফা আরিফসহ সহকর্মী আর অসংখ্য ভক্তদের রেখে গেলেন তিনি। সোমবার রাজধানীর পান্থপথের কমফোর্ট হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রখ্যাত গীতিকবি ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ।
‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’ গানের শিল্পী গান থেকে দূরে সরে গিয়ে আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে নিউ ইয়র্কে বসবাস করতেন। তার এক ছেলে সেখানে পড়াশুনা করেন। খালিদ মাঝে মাঝে দেশে আসলেও একাই থাকতেন। এবার আর প্রবাসে ফেরা হলো না। ফিরলেন অনন্তের পথে।
সোমবার রাত ১১টার দিকে গ্রিন রোডে খালিদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাতেই তাকে লাশবাহী গাড়িতে করে নিজের জন্মস্থান গোপালগঞ্জে। তার আগে মধ্যরাতে ঢাকায় তার বাসস্থান গ্রিন রোডের জামে মসজিদে এক দফা নামাজে জানাজা হয়েছে। মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।
সংগীতশিল্পী খালিদের ভগ্নীপতি আশরাফ আহমেদ জানাজার আগে জানান, খালিদের স্ত্রী ও সন্তান নিউইয়র্কে আছেন। তারা মৃত্যু খবর পেয়েছেন। হুট করেই তারা বোধহয় আসতে পারছেন না। যেহেতু আমাদের ধর্মে মরদেহ ২৪ ঘণ্টা রাখার নিয়ম নেই। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজার পর খালিদকে সমাহিত করা হবে। খালিদের স্ত্রী-সন্তান আসবেন ঠিকই কিন্তু হয়ত তারা লাশ দেখতে পারবেন না।
বাবার মৃত্যুর পর সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন সন্তান জুয়াইফা আরিফ। সেই ভিডিওতে সদ্য প্রয়াত বাবার জন্য দোয়া চেয়ে বলেছেন, ‘আমার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। আপনারা সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। তাকে মাফ করে দিয়েন।’
গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ১৯৮১ সাল থেকে গানের জগতে যাত্রা করেন। ১৯৮৩ সালে যোগ দেন ‘চাইম’ ব্যান্ডে।
Leave a Reply
Your email address will not be published. Required fields are marked *

