তাল নিয়ে কিছু কথা
- M Sulta
- 09 Feb, 2024
গান, বাদ্য ও নৃত্যের গতি বা লয়ের স্থিতিকালের ক্ষেত্রে তাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মাত্রার সমষ্টি দিয়ে রচনা করা হয় তাল। মূলত সুনির্দিষ্ট ছন্দ প্রকৃতি, সমসময় এবং আবর্তন এই তিনটি শর্তে যে কোন ছন্দই তাল হয়ে উঠতে পারে। √তল্ ক্রিয়ামূল থেকে উৎপত্তি হয়েছে তাল শব্দের।
সমপদী ও বিষমপদী- এই দুপ্রকার তাল। তালের মাত্রাবিভাগ যদি সমান হয় তা হলে সমপদী। যেমন: একতাল, ত্রিতাল, চৌতাল, সুরফাঁক ইত্যাদি।
আর তালের মাত্রাবিভাগ অসমান হলে বিষমপদী। যেমন: তেওড়া, ধামার, ঝাঁপতাল, ঝুমরা ইত্যাদি।
তালবিভাগ নামে একটি তালকে আবার কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। ত্রিতালে বিভাগ রয়েছে ৪ টি। আর দাদরা ও কাহারবা তালে রয়েছে ২টি করে বিভাগ। যে মাত্রা থেকে তাল শুরু হয় তাকে বলে ঐ তালের- সম। তালের প্রথম বিভাগের প্রথম মাত্রায় তালি দিয়ে ‘সম’ দেখানো হয়। অন্য বিভাগগুলির মধ্যে কয়েকটিতে তালি দেওয়া হয়। যাদেরকে বলে ‘তালি’। তালের যে বিভাগে তালি দেওয়া হয় না তাকে ‘খালি’ বা ‘ফাঁক’ তাল বলে।
Leave a Reply
Your email address will not be published. Required fields are marked *
zkeLxjVSuwT
dLnqpObHzhjGJKu
uepoGULijmOdHnV
dEbwXuFoLKB
sQKtSzrABZxI
JbZaKFlqs
sQKtSzrABZxI
JbZaKFlqs
zIqhGgWP
GERcMrPigXB
zIqhGgWP
GERcMrPigXB

